হৃদরোগের লক্ষণ ও তা থেকে বাঁচার উপায়

take Care

হৃদরোগের লক্ষণ ও তা থেকে বাঁচার উপায় 

গবেষণায় দেখা যায়, পারিবারিক ইতিহাস ও জেনেটিক বৈশিষ্ট্যই হৃদরোগের ক্ষেত্রে প্রধান ও নিয়ন্ত্রণের অযোগ্য কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণযোগ্য কারণেই মানুষ আজকাল হৃদরোগে আক্রান্ত হন বেশি। এসব কারণের মধ্যে রয়েছে- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ এবং অতিরিক্ত ওজন। বর্তমানে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ধরন হৃদরোগের অন্যতম বড় ঝুঁকিপূর্ণ কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

Take Care
💘💘 হার্টের সমস্যাকে আমরা সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করি। একটি হলো
1. জন্মগত হৃদরোগ
2. অ্যাকোয়ার্ড ডিজিজ।
💘💘💘 অনেক রকম হৃদ রোগ আছে। যেমনঃ
1. করোনারি হৃদ রোগ
2. কার্ডিও-মায়োপ্যাথি
3. উচ্চ রক্তচাপ জনিত হৃদ রোগ
4. হার্ট ফেইলর
5. কোর পালমোনাল (Core pulmonale)-হৃৎপিণ্ডের ডান পাশ অচল হয়ে যাওয়া, শ্বাস -প্রশ্বাস ব্যহত
6. কার্ডিয়াক ডিসরিদ্মিয়াস (Cardiac Disrhythmias)
7. ভালভুলার হৃদ রোগ
8. সেরেব্রোভাস্কুলার রোগ-মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী রক্তবাহিকার অসুখ, যেমন স্ট্রোক
9. প্রান্তিক ধমনীর রোগ
10. জন্মগত হৃদ রোগ
11. রিউম্যাটিক হৃদ রোগ-বাতজ্বরের কারণে হৃদপেশি ও ভাল্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।
♂️♂️ প্রাপ্ত বয়স্কদের হৃদরোগগুলোকে আমরা কয়েকটি ভাগে ভাগ করি।
>>একটি হলো রক্তনালির সমস্যা বা করনারি হার্ট ডিজিজ। হার্টের নিজস্ব যে রক্তনালি রয়েছে, সেগুলোর জন্য যে সমস্যা হয়, হার্ট অ্যাটাক যে কারণে হয়, সেটি হলো করনারি হার্ট ডিজিজ। এনজিওগ্রামের মাধ্যমে আমরা বুঝি যে হার্টের রক্তনালিতে ব্লক রয়েছে কি না। আমরা করনারি হার্ট ডিজিজের সঙ্গে বেশি পরিচিত।
             1.  করনারি হার্ট ডিজিজে সাধারণত বুকে চাপ চাপ লাগে, অজ্ঞান হয়ে যায়, হঠাৎ করে মারা যায়, এ ধরনের সমস্যা নিয়ে সাধারণত বেশি আসে।
             2. কিছু দূর চলাফেরা করলেই হাঁপিয়ে ওঠে বা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে গেলেই দেখা যায় হাঁপিয়ে যাচ্ছে, পারছে না, বুকে ব্যথা করছে,  সঙ্গে ঘাম হচ্ছে বা শ্বাসকষ্ট হচ্ছে সাধারণত। বুকের ব্যথার সঙ্গে সাধারণত করনারি হার্ট ডিজিজে শ্বাসকষ্টটা খুব প্রচলিত। ঘেমে যায়। মনে হবে পাথর বা হাতি বসে রয়েছে বুকের ওপর

>>>দ্বিতীয় আরেক ধরনের রোগ হলো ভাল্ভিউলার হার্ট ডিজিজ। হার্টের মধ্যে চারটি ভাল্ভ রয়েছে। এর মধ্যে দুটো বা তিনটি ভাল্ভে সাধারণত বেশি সমস্যা হয়।

Take Care
💘💘হার্ট ব্লকের কারণ:
রক্তনালীতে চর্বিজাতীয় বস্তু খুব ধীরে ধীরে জমা হতে থাকে। তাই হার্ট ব্লক খুবই ধীরগতিতে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। যেমন ধরুন একটি ব্লক ১০% থেকে বৃদ্ধি পেতে পেতে ৮০%-এ পৌঁছাতে ব্যক্তিভেদে ১০ থেকে ৩০/৪০ বছর সময় লাগতে পারে। তাই বলা হয়ে থাকে, ব্যক্তি হার্ট ব্লক নিয়ে দীর্ঘসময় সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।
Take Care

💘💘হার্ট ব্লকের লক্ষণ :

হৃদপিণ্ডে বেশি পরিমাণে ব্লক থাকলে বুকে ব্যথা হয়। আস্তে আস্তে ব্যথা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে। হাঁটার সময়, সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় বুকে ব্যথা হয়, থামলে ব্যথা কমে যায়।
দম নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয়।
বুকে জ্বালাপোড়া ও ধড়ফড় করে।
গলা, কপাল ও মাথা ঘাম হওয়া।
নিচের দিকে হেলে কিছু করার ও একটু ভারী কিছু বহনের সময় কষ্ট হয়।
খাবার হজম না হওয়ার মতো অস্বস্তি লাগে।
💘💘💘হৃদ রোগের জন্য অনেক কিছুই দায়ী :
1. বয়স,
2. লিঙ্গ,
3. উচ্চ রক্তচাপ,
4. উচ্চ লিপিড
5. ডায়াবেটিস ম্যালাইটাস,
6. ধূমপান, অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ, 7 .পারিবারিক ইতিহাস,
8. স্থূলতা, স্বল্প শারীরিক পরিশ্রম এবং বায়ু দূষণ ।
💘💘💘 হৃদরোগ এর ব্যয়াম

হৃদয় ও ফুসফুসকে ভাল রাখতে দরকার কিছু কার্ডিও এক্সারসাইজ৷ অর্থাৎ হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার, খেলাধুলা ইত্যাদি৷ শুয়ে–বসে থাকার অভ্যাস থাকলে তা আগে ত্যাগ করুন।

Take Care
💘💘💘 কি কি খাবো না হার্টের সমস্যা হলে :
1. কলিজা, মগজ, হাড়ের মজ্জা
2. চিংড়ি, গরু, খাসি
3. ডিম , মাছের মাথা
4. ঘি
5. নারিকেল
6. কেক, পেস্ট্রি, পুডিং, আইসক্রিম
💘💘💘 হার্টের সমস্যা জন্য কি কি  ভালো শরীরের জন্য :
Take Care
1. আমলকি, হলুদ, রসুন, আদা
2. পুদিনা পাতা, সবুজ চা
3. আলু, আপেল, কমলা, টমেটো
4. বাদাম
5. আঁশ জাতীয় খাদ্য খেতে পারবে
(সালাদ, ছোলা, বুট, টক ফল, খোসা সব পেয়ারা, আমলকি, কামরাঙা, আমড়া, লেবু, বরই)
6. মেথি, করলার রস, ইসুবগুলের ভুসি।
💘💘 হার্টের সমস্যা হলে সাধারণত কি কি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।
1. ইসিজি,
2. ইকো কার্ডিওগ্রাম,

3. ট্রেডমিল বা এক্সারসাইস টলারেন্স টেস্ট

Take Care

1 thought on “হৃদরোগের লক্ষণ ও তা থেকে বাঁচার উপায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *